ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ‘গত তিন মাসে সাড়ে ২২ হাজার পর্নো সাইট বন্ধ করা হয়েছে। পর্নো ভিডিও তৈরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কঠোর হস্তে দমন করতে সরকার সক্ষম হয়েছে। অচিরেই সোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের হয়রানি বন্ধে বাংলাদেশ প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জন করতে যাচ্ছে। আমরা ডিজিটাল দুনিয়ায় কাজ করার পাশাপাশি এ দুনিয়া নিরাপদও রাখব।’

গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র মিলনায়তনে বঙ্গীয় সাহিত্য-সংস্কৃতি সংসদ আয়োজিত ‘নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সংস্কৃতির ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ডিজিটাল মিডিয়ার ভালো দিকের পাশাপাশি খারাপ দিকও রয়েছে। দেশে এ ধরনের মিডিয়া ব্যবহারের পাশাপাশি এর অপব্যবহার বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

মন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহারের ফলে কখনো কখনো শিশু, নারীসহ অনেক মানুষ হেনস্তার শিকার হচ্ছে। এ জন্য বাংলাদেশে বাঙালির সংস্কৃতিচর্চা দরকার। নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি সংস্কৃতির ভূমিকা অপরিহার্য।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ডিজিটাল মিডিয়ায় হেনস্তার শিকার হয়ে আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটেছে। প্রতিদিন প্রচুর অভিযোগ আসছে। প্রচুর সমস্যার সমাধানও করতে হয়। ডিজিটাল মিডিয়ার নিরাপত্তায় সরকার বদ্ধপরিকর।

ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী নারীর নিরাপত্তায় এবং ক্ষমতায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গৃহীত ও বাস্তবায়িত বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরে বলেন, ‘সরকারের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অঙ্গন থেকে লড়াইটা যদি অব্যাহত থাকে, তাহলে বাংলার মেয়েরা বাঙালির মেয়েরা কখনো অনিরাপদ হবে না। বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় একটা রূপান্তর ঘটেছে। ঘরের চার দেয়াল থেকে নারীরা এখন কর্মক্ষেত্রে বেরিয়ে এসেছে। দেশে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শতকরা ৫৩ ভাগ এখন নারী। সংখ্যাধিক্যের কারণেও এখন একধরনের নিরাপত্তা বলয় সৃষ্টি হয়েছে। মেয়েরা এখন সর্বত্র দক্ষতার সঙ্গে সততা ও নিষ্ঠার সৃঙ্গে কাজ করছে।’